কৃতিত্ব: বিদ্যালয়টি বিভিন্ন বৎসর জুনিয়র বৃত্তি লাভ করে আসছে। জে.এস.সি পরীক্ষায় দুই বার শতভাগ পাশের সফলতা অর্জন করে। জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগীতা/০৮ এবং ২০১০ সালে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগীতায় উপজেলা পর্যায়ে চ্যম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বিদ্যালয়টি হাকালুকি হাওরের দক্ষিন পাশে বাদে ভুকশিমইল গ্রামে অবস্থিত। হাওর বেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের এই গ্রামটি শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে ছিল। সেই পিছিয়ে পড়া জন গোষ্ঠির মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মো: রফিকুল ইসলাম রেনু সাহেব একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্য এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে ১৯৯৬ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর নামে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।
শ্রেণী
ছাত্র
ছাত্রী
মোট
মমত্মব্য
৬ষ্ঠ
৫০
৪৫
৯৫
৭ম
৩৯
৫১
৯০
৮ম
৩৮
৪২
৮০
৯ম
২৯
৩১
৬০
১০ম
১৬৭
১৯৮
৩৬৫
মোট
১৬৭
১৯৮
৩৬৫
বিদ্যালয়টি হাকালুকি হাওরের দক্ষিন পাশে বাদে ভুকশিমইল গ্রামে অবস্থিত। হাওর বেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের এই গ্রামটি শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে ছিল। সেই পিছিয়ে পড়া জন গোষ্ঠির মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মো: রফিকুল ইসলাম রেনু সাহেব একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্য এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে ১৯৯৬ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর নামে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।
সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যেম উন্নত শিক্ষা প্রদান করে দেশের উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০০৮
-
-
-
২০০৯
-
-
-
২০১০
-
০৬
০৬
২০১১
০৮
০৯
১৭
২০১২
-
০২
০২
১৯৭৫ সালে স্থাপিত হয় এ বিদ্যালয়টি। এশিয়া মহাদেশের সর্ব বৃহৎ হাকালুকি হাওরের দক্ষিণ তীর ঘেষে ঐহিত্যবাহী ভূকশিমইল ইউনিয়নের ভূকশিমইল গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে এ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ দিয়ে সম্প্রতি ২/১ বৎসর পূর্বে পাকা রাস্তা নির্মিত হয়েছে। এর পূর্বে কাঁচা রাস্তা ছিল। এলাকায় বিদ্যালয়টি স্থাপিত হওয়ায় ভাগ্যন্নয়ন হয়েছে এলাকার সাধারণ শিশু কিশোরদের। এখানের প্রায় ৭৫% লোক শিক্ষিত ও সচেতন।
অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বর্তমানে অধ্যক্ষ জনাব মোহাম্মদ মাশুক। তিনি উচ্চতর দপ্তরে চাকুরীর অসংখ্য সুযোগ পেয়েও এলাকার জনসাধারনের স্বার্থে ও এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করতে পারেননি। যারফলে এলাকায় আজ শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। নিম্নাঞ্চলের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষা নিয়ে শতাধিক শিক্ষিত ছেলে/মেয়ে আজ দেশের বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বরত। এ বিদ্যাপিঠের তুলনা যেন বর্ণনাতীথ। তাছাড়া প্রতি বৎসর বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র/ছাত্রীরা ভাল রেজাল্ট করে আসছে।
এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় রূপান্তরিত হয়েছে। প্রতি বৎসর ভাল রেজাল্ট করে আসছে।
এখানে ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত লিখাপড়া করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার সুযোগ রয়েছে। রয়েছেন পর্যাপ্ত পরিমাণ শিক্ষক। আধুনিক শিক্ষা গ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে বিদ্যালয় শাখায় ছাত্র-ছাত্রী প্রায় ৬ শতাধিক ও কলেজ শাখায় প্রায় শতাধিক অধ্যয়নরত আছে। এলাকার জনসাধারণ অত্যন্ত সচেতন ও শিক্ষার প্রতি দায়িত্বশীল। তাছাড়া এলাকায় আর্থিক সচেতনতাও রয়েছে।
১৯৭২ইং সনে স্থাপিত হয় এই বিদ্যাপীঠ। প্রতিষ্ঠাকালীন তৎকালীন প্রধান শিক্ষক এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোহাম্মদ মাশুক অক্লান্ত পরিশ্রম আর ত্যাগ স্বীকার করে নান্দনিক জীবনের সকল আশা পরিত্যাগ করে এলাকার জনসাধারণের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করেন। যাহার অবদানের কাছে এলাকাবাসী কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী। আজ এ বিদ্যালয়টি কলেজে রূপান্তর হয়েছে এবং এলাকায় শিক্ষার হার প্রায় ৯০%।
১৯৭৫ সালে স্থাপিত হয় এ বিদ্যালয়টি। এশিয়া মহাদেশের সর্ব বৃহৎ হাকালুকি হাওরের দক্ষিণ তীর ঘেষে ঐহিত্যবাহী ভূকশিমইল ইউনিয়নের ভূকশিমইল গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে এ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ দিয়ে সম্প্রতি ২/১ বৎসর পূর্বে পাকা রাস্তা নির্মিত হয়েছে। এর পূর্বে কাঁচা রাস্তা ছিল। এলাকায় বিদ্যালয়টি স্থাপিত হওয়ায় ভাগ্যন্নয়ন হয়েছে এলাকার সাধারণ শিশু কিশোরদের। এখানের প্রায় ৭৫% লোক শিক্ষিত ও সচেতন।
অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বর্তমানে অধ্যক্ষ জনাব মোহাম্মদ মাশুক। তিনি উচ্চতর দপ্তরে চাকুরীর অসংখ্য সুযোগ পেয়েও এলাকার জনসাধারনের স্বার্থে ও এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করতে পারেননি। যারফলে এলাকায় আজ শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। নিম্নাঞ্চলের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষা নিয়ে শতাধিক শিক্ষিত ছেলে/মেয়ে আজ দেশের বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বরত। এ বিদ্যাপিঠের তুলনা যেন বর্ণনাতীথ। তাছাড়া প্রতি বৎসর বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র/ছাত্রীরা ভাল রেজাল্ট করে আসছে।
এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় রূপান্তরিত হয়েছে। প্রতি বৎসর ভাল রেজাল্ট করে আসছে।
এখানে ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত লিখাপড়া করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার সুযোগ রয়েছে। রয়েছেন পর্যাপ্ত পরিমাণ শিক্ষক। আধুনিক শিক্ষা গ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে বিদ্যালয় শাখায় ছাত্র-ছাত্রী প্রায় ৬ শতাধিক ও কলেজ শাখায় প্রায় শতাধিক অধ্যয়নরত আছে। এলাকার জনসাধারণ অত্যন্ত সচেতন ও শিক্ষার প্রতি দায়িত্বশীল। তাছাড়া এলাকায় আর্থিক সচেতনতাও রয়েছে।
প্রতিষ্ঠকাল হইতে দীর্ঘদিন সরকারী সিলেবাস ছাড়া লেখা পড়া করানো হয়। ১৯৮৯ইং সনে বাংলাদেশ মাদরাসা শিÿাবোর্ড ঢাকা এর অধীনে ইবতেদায়ী ৫ম শ্রেণী পর্যমত্ম স্বীকৃতি পায়এবং ১৯৯৬ইং সনে নবম শ্রেণী পর্যমত্ম একাডেমিক অনুমতি লাভ করে। ১৯৯৭ইং সনে দাখিল মাদ্রসা হিসাবে স্বীকৃতি হয়। ২০০০ইং সন হইতে মাদরাসাটি এমপিও ভুক্ত হয়।
ছাত্র সংখ্যা ২০৩ জন
ছাত্রী সংখ্যা ১৯৪ জন
মোট ছাত্র ছাত্রী ৩৯৭ জন
প্রতিষ্ঠকাল হইতে দীর্ঘদিন সরকারী সিলেবাস ছাড়া লেখা পড়া করানো হয়। ১৯৮৯ইং সনে বাংলাদেশ মাদরাসা শিÿাবোর্ড ঢাকা এর অধীনে ইবতেদায়ী ৫ম শ্রেণী পর্যমত্ম স্বীকৃতি পায়এবং ১৯৯৬ইং সনে নবম শ্রেণী পর্যমত্ম একাডেমিক অনুমতি লাভ করে। ১৯৯৭ইং সনে দাখিল মাদ্রসা হিসাবে স্বীকৃতি হয়। ২০০০ইং সন হইতে মাদরাসাটি এমপিও ভুক্ত হয়।
১৯৯৮ইং সন হইতে দাখিল পরীÿায় ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহন করিয়া বর্তমান পর্যমত্ম পরীÿায় কৃতিত্বের স্বাÿর রাখিতেছে। মাদ্রসায় মোট ১৩ শিÿক ও ৩ জন কর্মচারী রহিয়াছেন। বর্তমানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩৯৭ জন অধ্যয়ন করিয়াছে।
মাদ্ররাসায় ছাত্র ছাত্রীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি জাতীয় ও স্থানীয় খেলাধুলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করিতেছে। জাতীয় স্কুল মাদ্রারাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করিয়া উজ্জ্বল দৃষ্টামত্ম স্থাপন করিয়াছে। তাছাড়া জাতীয় ক্রিকেট ও ফুটবল খেলায় বারবার উপজেলা পর্যায়ে চ্যম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করিয়াছে এবং ক্রিকেট খেলায় বিভাগীয় চ্যম্পিয়ন হইয়া কুমিলস্না অঞ্চল পর্যমত্ম খেলায় অংশগ্রহণ করিয়াছে।
মাদ্ররাসাটি একটি সুন্দর পরিসরে অবস্থান করিতেছে। দুইটি দ্বিতলা একাডেমিক ভবন ও ১টি একতলা ভবন রহিয়াছে।
মাদ্ররাসাটি প্রাচীর ও মাঠ ভরাটের চূড়ামত্ম অভাব রহিয়াছে এই জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপÿÿর আশু দৃষ্টি কামনা করা যাইতেছে।
২০১১ সালের প্রাথমিক শিÿা সমাপনী পরীÿায় ১০০% পাশ ।
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করে ঝরে পড়া শুন্যের কোটায় নামিয়ে আনা এবং ১০০ ভাগ পাশ নিশ্চিত করা। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে এবং বিভাগীয় উর্দ্ধতন কর্তৃপÿÿর সহায়তায় বিদ্যালয়টির যথাসাধ্য উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে একটি মডেল বিদ্যালয়ে রূপামত্মর করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
-
-
২০০৯
-
-
-
২০০৮
-
-
-
২০০৭
-
-
-
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে শশারকান্দি গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী মো: কাদির মিয়া,নজির আলী ,সজ্জাদ আলী,মর্তুজ আলী , কাঞ্চন মিয়া, উমেদ আলী ও এলাকাবাসী সর্বসাধারণের সমন্বয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। অনেক ত্যাগের পর বিদ্যালয়টি ১৯৮৬ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়।
মো: নজরম্নল ইসলাম,প্রধান শিÿক,শশারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।, মোবাইল-০১৭২০৫৮৮৯৪৬।
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের শশারকান্দি গ্রামে বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির দÿÿণ-পশ্চিম তীর ঘেষে অবস্থিত।এটি একটি পাকা ভবন । এতে মোট ৩টি শ্রেণিকÿও একটি অফিস কÿআছে।বর্তমানে(২০১২খ্রি.)এই বিদ্যালয়ে ১৬০ জন শিÿাথী ও ৪জন শিÿকের পদ পদ থাকলেও ২ জন শিÿক কর্মরত রয়েছেন। বিদ্যালয়টির উত্তর পাশে একটি বড় দিঘি রয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে একটি কাঁচা রাসত্মা বয়ে গেছে। উপজেলা সদর হতে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১৭ কিলোমিটার
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করা, ঝরে পড়া শুন্যের কোটায় নামিয়ে আনা এবং ১০০ ভাগ পাশ নিশ্চিত করা। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে একটি আদর্শ ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ে রূপামত্মর করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
০১
০১
২০০৯
-
-
-
২০০৮
-
০১
০১
২০০৭
-
-
-
১৯৬৪ সালে অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ব্যক্তিবর্গের ঐকামিত্মক প্রচেষ্ঠায় রেজিস্ট্রিকৃত ১.০০ একর জমির উপর শশারকান্দি গ্রামের দÿÿণ প্রামেত্ম বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ভবিষ্যত নাগরিকদেরকে সুশিÿÿত করে গড়ে তুলার মানসিকতায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।তাদের নিজ গ্রামের নামানুসারে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়।
শ্রেণি
ছাত্র
ছাত্রী
মোট
১ম
২০
১৭
৩৭
২য়
১৫
১৫
৩০
৩য়
১৩
১৪
২৭
৪র্থ
১৮
১৩
৩১
৫ম
০৫
০৭
১২
মোট
৭১
৬৬
১৩৭
ক্র.নং
সদস্যদের নাম
গ্রাম
ক্যাটাগরি
পদবী
০১
মো: মমত্মাজ মিয়া
বাদেভূকশিমইল
বিদ্যোৎসাহী পুরম্নষ
সহসভাপতি
০২
শামসুন্নাহার শিউলি
বাদেভূকশিমইল
বিদ্যোৎসাহী মহিলা
সদস্য
০৩
সিরাজ মিয়া
বাদেভূকশিমইল
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৪
মেন্দি মিয়া
বাদেভূকশিমইল
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৫
শিরিণ বেগম
বাদেভূকশিমইল
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৬
আম্বিয়া বেগম
বাদেভূকশিমইল
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৭
সুনাই বেগম
বাদেভূকশিমইল
মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৮
কামাল আহমদ সিদ্দিকী
বাদেভূকশিমইল
ইউ/পি সদস্য
সদস্য
০৯
মো: সাইদুর রহমান
কানেহাত
মাধ্যমিক বিদ্যা.প্রতি.
সদস্য
১০
মো: বদরম্নল ইসলাম
দাউদপুর
বিদ্যা. শিÿক প্রতিনিধি
সদস্য
১১
মো: নামওয়ার আলী
জাব্দা
প্রধান শিÿক
সদস্য সচিব
পাশের সন
ডি.আর.ভুক্ত
অংশগ্রহন
পাশ
পাশের হার
২০১১
১৪
১২
১২
১০০%
২০১০
১৩
১২
১০
৮৩%
২০০৯
১৩
১২
১২
১০০%
২০০৮
১০
১০
০৩
৩০%
২০০৭
১২
০৯
০৯
১০০%
মৈা: নামওয়ার আলী, প্রধান শিÿক, শশারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।, মোবাইল-০১৭১৬৮৪৭৯৫৪।
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শশারকান্দি নামক গ্রামেঅবস্থিত। এর চতুর্পাশ্বে ফলদ ও ঔষধি গাছের সমারোহ বিদ্যালয়টিকে মনোরম পরিবেশ দান করেছে।এটি একটি পাকা ভবন। এতে মোট ৩টি শ্রেণিকÿও একটি অফিস কÿআছে। ২টি শৌচাগার,প্রয়োজন মাফিক আসবাবপত্র ও বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিÿক শিÿার্থীর অনুপাত ১:৪৪। উপজেলা সদর থেকে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১৫ কি.মি.
২০১২সালের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ান।
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করে শিÿার মানোন্নয়ন, সকল শিশুর শিখন এবং উচ্চতর মূল্যবোধ নৈতিকতার উন্নয়ণ করার মাধ্যমে একটি মডেল বিদ্যালয়ে রূপামত্মর করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
-
-
২০০৯
-
০১
০১
২০০৮
-
-
-
২০০৭
-
-
-
১৮৫৮সালে সাদীপুরগ্রামের স্বনামধন্য সমাজ সেবক মৃত মো: কটু মিয়াতার নিজ জমীর একাংশে এলাকারসর্বসত্মরের জনসাধারণের সহযোগীতায় নিজ গ্রামের নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয় করণ করা হয়।
শ্রেণি
ছাত্র
ছাত্রী
মোট
১ম
৬৫
৮৩
১৪৮
২য়
৩৩
৫৫
৮৮
৩য়
২৯
৪৩
৭২
৪র্থ
১৫
২৫
৪০
৫ম
০৬
২৩
২৯
মোট
১৪৮
২২৯
৩৭৭
ক্র.নং
সদস্যদের নাম
গ্রাম
ক্যাটাগরি
পদবী
০১
সোহাগ মিয়া
উ.সাদীপুর
জমিদাতা সদস্য
সহসভাপতি
০২
আহমদ হোসেন
দ.সাদীপুর
বিদ্যোৎসাহী পুরম্নষ
সদস্য
০৩
শিরিণ বেগম
উ.সাদীপুর
বিদ্যোৎসাহী মহিলা
সদস্য
০৪
মো: আখলিছ মিয়া
উ.সাদীপুর
মাধ্যমিক শিÿক প্রতি
সদস্য
০৫
মোছা: সামিনা বেগম
মীরশংকর
মেধাবী ছাত্রের অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৬
শেফালী বেগম
কুরবানপুর
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৭
আফতাব উদ্দিন
মীরশংকর
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৮
মছবিবর আলী
কুরবানপুর
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৯
শাহাজান বেগম
দ.সাদীপুর
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
১০
রহিমা তানজিন
বাদে-মনসুর
বিদ্যা. শিÿক প্রতিনিধি
সদস্য
১১
তাহমিনা জাহান
শিবির,কুলাউড়া
প্রধান শিÿক
সদস্য সচিব
পাশের সন
ডি.আর.ভুক্ত
অংশগ্রহন
পাশ
পাশের হার
২০১১
৩০
৩০
২৮
৯৩%
২০১০
২৩
২৩
১৭
৭৪%
২০০৯
২৮
২৮
০৫
১৮%
২০০৮
২০০৭
তাহমিনা জাহান, প্রধান শিÿক, মনসুরগঞ্জসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।, মোবাইল-০১৭১২৩২০৭১৭।
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নেরসাদীপুর গ্রামের পূর্ব প্রামেত্ম বৃহত্তম হাকালুকি হাওরের শাখা ধলিয়ার হওরেরতীরে অবস্থিত।এটি দুইটি পাকা ভবন ও একটি আধাপাকা ভবন নিয়ে গঠিত। এতে মোট ৬টি শ্রেণিকÿও একটি অফিস কÿএবং একটি স্টোর রোম আছে।বর্তমানে(২০১২খ্রি.)এই বিদ্যালয়ে ৩৭৭জন শিÿাথী ও ৭জন শিÿক-শিÿÿকা কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টি হাওরেরতীরবর্তী হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষার সময় ঢেউয়ের তোড়ে ভৌত অবকাটামোর অনেক ÿতি সাধিত হয়। উপজেলা সদর হতে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১০কিলোমিটার
২০০৫ সালে একটি ছাত্র উপজেলা পর্যায়ে শিশু প্রতিযোগীতায় পুরষ্কার লাভ করে।
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করে শিÿার মানোন্নয়ন, সকল শিশুর শিখন এবং উচ্চতর মূল্যবোধ নৈতিকতার উন্নয়ণকরা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
-
-
২০০৯
-
-
-
২০০৮
-
-
-
২০০৭
-
-
-
১৮৮২সালে মদনগৌরীগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ একত্র হয়ে আলোচনা পূর্বক নিজগ্রামের নামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ দিন যাবত বিদ্যালয়টি মদনগৌরী ও জালালপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে সরকারি দিঘি নামে পরিচিত দিঘির পাড়ে বেড়া বিহীন একটি কাঁচা ঘরে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত। অবশেষে ১৯৯৪ সালে মদনগৌরী গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবকশিÿা দরদী মরহুম মো: আব্দুর রশিদ ও সাহা মোহাম্মদ(সাহা মান্দ) তাঁদের ৩২শতাংশজমি বিদ্যালয়ের নামে দান করলে এলাকার সর্বস্থরের জনসাধারণের স্বক্রীয় সহায়তায় এবং সরকারি অনুদানে বর্তমান স্থানে বিদ্যালয়ের জন্য স্থায়ী গৃহ নির্মান করে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৭৩ সালে জাতীয় করণকরা হয়।
শ্রেণি
ছাত্র
ছাত্রী
মোট
১ম
১৪
১১
২৫
২য়
০৯
০৮
১৭
৩য়
১০
১০
২০
৪র্থ
০৮
০৭
১৫
৫ম
১০
১৫
২৫
মোট
৫৪
৫১
১০৫
ক্র.নং
সদস্যদের নাম
গ্রাম
ক্যাটাগরি
পদবী
০১
হাজী মো: ছওয়াব আলী
মদনগৌরী
বিদ্যোৎসাহী পুরম্নষ
সহসভাপতি
০২
মোছা: রিনা খানম
মদনগৌরী
মেধাবী ছাত্রের অভিভাবক সদস
সদস্য
০৩
মো: বাবুল মিয়া
মদনগৌরী
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৪
মোছা: আনোয়ারা বেগম
মদনগৌরী
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৫
কাঞ্চন রানী দাস
জালালপুর
বিদ্যোৎসাহী মহিলা
সদস্য
০৬
মো: মাতাব মিয়া
মদনগৌরী
ইউ/পি সদস্য
সদস্য
০৭
মোছা: রম্নমা খানম
মদনগৌরী
বিদ্যোৎসাহী মহিলা ্য
সদস্য
০৮
মো:মুছলেহ উদ্দিন
কুরবানপুর
মাধ্যমিক শিÿক প্রতি
সদস্য
০৯
মো: আসুক মিয়া
মদনগৌরী
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
১০
মো: নজমুল ইসলাম
ভূকশিমইল
বিদ্যা. শিÿক প্রতিনিধি
সদস্য
১১
ক্যামলী রানী পাল
জয়চন্ডী
প্রধান শিÿক
সদস্য সচিব
পাশের সন
ডি.আর.ভুক্ত
অংশগ্রহন
পাশ
পাশের হার
২০১১
১৮
১৬
১৪
৮৭%
২০১০
১৬
১৬
১৩
৮১%
২০০৯
১৪
১২
০৯
৭৫%
২০০৮
১৫
১৫
১০
৬৭%
২০০৭
১৬
১৬
১০
৬২%
শ্যামলী রানী পাল,প্রধান শিÿক,মদনগৌরীসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।, মোবাইল-০১৭৪৫৫৮৪৬৩৯
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মদনগৌরীগ্রামে বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির দÿÿণ তীর ঘেষে অবস্থিত।এটি একটি পাকা ভবন । এতে মোট ৩টি শ্রেণিকÿও একটি অফিস কÿআছে।বর্তমানে(২০১২খ্রি.)এই বিদ্যালয়ে ১৩০জন শিÿাথী ও ৪জন শিÿককর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টিতে একটি ছোটখেলার মাঠ আছে। বিদ্যালয়ের উত্তরপাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি পাকা রাসত্মা ।কখনও কখনও বন্যায় বিদ্যালয়টির মেঝেতে পানি ঢুকে যায় তখন পাঠদানে মারাত্নক বিঘ্ন ঘটে।প্রায় প্রতিবছর বন্যায় দেয়াল,মেঝে,গ্রীল ও প্রবেশপথের অনেক ÿতি করে থাকে। উপজেলা সদর হতে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১১কিলোমিটার
২০১০ ও ২০১১ সালের প্রাথমিক শিÿা সমাপনী পরীÿায় ১০০% শিÿার্থী ইত্তীর্ণ।২০১২ সালের আমত্ম; প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় সালমা বেগম ১০০ মি.দৌড়ে জেলা পর্যায়ে ২য় স্থান লাভ এবং ২০০মি. কাঠি দৌড়ে সালমা বেগম ও তার দল জেলা পর্যায়ে ২য় স্থান লাভ
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করে শিÿার মানোন্নয়ন, সমাপনী পরীÿায় শতভাগ পাশের ধারা অব্যাহত রাখা এবং সকল শিশুর শিখন এবং উচ্চতর মূল্যবোধ নৈতিকতার উন্নয়ণ করার মধ্যমে একটি মডেল বিদ্যালয়ে রূপামত্মর করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
-
-
২০০৯
-
-
-
২০০৮
-
-
-
২০০৭
-
-
-
১৮৯২সালে কানেহাতগ্রামের স্বনামধন্য সমাজ সেবক মৃত বজ্র নাথ তাঁরনিজ জততে এলাকা বাসীর সহযোগীতায় বিদ্যারটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে বিদ্যালয়টি বজ্র নাথ পাঠশালানামে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গ্রামের নামানুসারে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয় কানেহাতসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়।
শ্রেণি
ছাত্র
ছাত্রী
মোট
১ম
২৭
৩২
৫৯
২য়
৩৭
২৭
৬৪
৩য়
২৮
২৭
৫৫
৪র্থ
২০
২৫
৪৫
৫ম
১১
২০
৩১
মোট
১২৩
১৩১
২৫৪
ক্র.নং
সদস্যদের নাম
গ্রাম
ক্যাটাগরি
পদবী
০১
মো: মকবুল আলী
কানেহাত
অভিভাবক সদস্য
সহসভাপতি
০২
নিপেশ দাস
কাড়েরা
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৩
কল্পনা রানী দাস
বড়দল
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৪
মাসুদা আক্তার
কালেশার
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৫
মাহবুব হাসান
কাড়েরা
ইউ/পি সদস্য
সদস্য
০৬
নাজমা আক্তার
বড়দল
মেধাবী ছাত্রের অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৭
মো: সফিক মিয়া
কানেহাত
মাধ্যমিক শিÿক প্রতি
সদস্য
০৮
শরীফা খাতুন
কানেহাত
বিদ্যোৎসাহী মহিলা
সদস্য
০৯
জমিদাতা সদস্যনাই
১০
মোহাম্মদ জাকির হোসেন তফাদার
গুপ্তগ্রাম
বিদ্যা. শিÿক প্রতিনিধি
সদস্য
১১
মো: আব্দুল হালিম
হাসিমপুর
প্রধান শিÿক
সদস্য সচিব
পাশের সন
ডি.আর.ভুক্ত
অংশগ্রহন
পাশ
পাশের হার
২০১১
২০
২০
২০
১০০%
২০১০
২১
২১
২১
১০০%
২০০৯
২১
২০
১২
৬০%
২০০৮
২৬
২৬
১৪
৫৪%
২০০৭
২৫
২৫
২২
৮৮%
মো: আব্দুল হারিম, প্রধান শিÿক, কানেহাত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।, মোবাইল-০১৭২৯৯৪৩৯১১।
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের অমত্মগত কানেহাতগ্রামে অবস্থিত।এটি একটি পাকা ভবন । এতে মোট ৩ টি শ্রেণিকÿও একটি অফিস কÿআছে।বর্তমানে(২০১২খ্রি.)এই বিদ্যালয়ে ২৫৪জন শিÿাথী ও ৫জন শিÿক কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টির সম্মুখে একটি ছোট খেরার মাঠ আছে।মাঠের পশ্চিম পাশে কুলাউড়া - নবাবগঞ্জবাজারপাকা রাস্থা আছে।উপজেলা সদর হতে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১১কিলোমিটার।
২০১১ সালে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নমেন্টে ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ান।
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করে শিÿার মানোন্নয়ন, সকল শিশুর শিখন এবং উচ্চতর মূল্যবোধ, নৈতিকতার উন্নয়ণকরে বিদ্যালয়টিকে মডেলবিদ্যালয়ে রূপামত্মর করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
-
-
২০০৯
-
-
-
২০০৮
-
-
-
২০০৭
-
-
-
১৯৯৭সালে তৎকালিন সরকার যে সকল গ্রমে বিদ্যালয় নেই সে সকল গ্রামে কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করলে তার অংশ হিসেবে ‘‘কালেশার কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’ নামে উক্ত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালে সরকারি সিদ্ধামেত্মর অংশ হিসেবে এই বিদ্যালয়টিকে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়।বিদ্যালয়েরজন্য ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন স্বনামধন্য সমাজ সেবক মৃত মো: বাজিদ খান।।
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালেশার গ্রামে অবস্থিত।এটি হাকালুকি হাওরের দÿÿণ প্রামেত্ম দুর্গম এলাকায় অবসিত্মত।এটি একটি আধাপাকা প্রায় জরাজীর্ণ ভবন । এতে মোট ৩টি শ্রেণিকÿও একটি অফিস কÿআছে।বর্তমানে(২০১২খ্রি.)এই বিদ্যালয়ে১৫০জন শিÿাথী ও ৪ জন শিÿককর্মরত আছেন। কখনও কখনও বন্যায় বিদ্যালয়টির মেঝেতে পানি ঢুকে যায় তখনপাঠদানে মারাত্নক বিঘ্ন ঘটে।প্রায় প্রতিবছর বন্যায় দেয়াল,মেঝে,গ্রীল ও প্রবেশপথের অনেক ÿতি করে থাকে। উপজেলাসদর হতে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১২কিলোমিটার।
শিশু জরীপ অনুযায়ী ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করে শিÿার মানোন্নয়ন, সকল শিশুর শিখন এবং উচ্চতর মূল্যবোধ, নৈতিকতার উন্নয়ণ করে বিদ্যালয়টিকে মডেল বিদ্যালয়ে রূপামত্মর করা।
সন
ট্যালেন্টপুল
সাধারণ
মোট
২০১১
-
-
-
২০১০
-
-
-
২০০৯
-
-
-
২০০৮
-
-
-
২০০৭
-
-
-
১৯৯৭সালে তৎকালিন সরকার যে সকল গ্রামে বিদ্যালয় নেই সে সকল গ্রামে কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করলে তার অংশ হিসেবে ‘‘কাইরচক কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’ নামে উক্ত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালে সরকারি সিদ্ধামেত্মর অংশ হিসেবে এই বিদ্যালয়টিকে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়।বিদ্যালয়ের জমি দাতা মো: তারা মিয়া গং।
শ্রেণি
ছাত্র
ছাত্রী
মোট
১ম
২৪
২৪
৪৮
২য়
১৬
১৯
৩৫
৩য়
১৪
১৭
৩১
৪র্থ
১৪
১৩
২৭
৫ম
১২
১৬
২৮
মোট
৮০
৮৯
১৬৯
ক্র.নং
সদস্যদের নাম
গ্রাম
ক্যাটাগরি
পদবী
০১
আব্দুল মতলিব
ভূকশিমইল
অভিভাবক সদস্য
সহসভাপতি
০২
মো: হাবিবুর রহমান
ভূকশিমইল
বিদ্যোৎসাহী পুরম্নষ
সদস্য
০৩
জইন উদ্দিন আহমদ
জালালপুর
মাধ্যমিক শিÿক প্রতি.
সদস্য
০৪
তারা মিয়া
ভূকশিমইল
জমিদাতা সদস্য
সদস্য
০৫
নিহারা বেগম
বড়দল
ইউ/পি সদস্য
সদস্য
০৬
নিত্যানন্দ রায়
জালালপুর
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৭
শেফালী দাস
জালালপুর
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৮
আম্বিয়া বেগম
ভূকশিমইল
অভিভাবক সদস্য
সদস্য
০৯
হাফিজ ফয়জুর রহমান
ভূকশিমইল
মেধাবী ছাত্রের অভিভাবক সদস্য
সদস্য
১০
মো: রফিকুল ইসলাম
ভূকশিমইল
বিদ্যা. শিÿক প্রতিনিধি
সদস্য
১১
মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান
ভূকশিমইল
প্রধান শিÿক
সদস্য সচিব
পাশের সন
ডি.আর.ভুক্ত
অংশগ্রহন
পাশ
পাশের হার
২০১১
২৭
২৬
২৫
৯৬%
২০১০
২৩
২১
২০
৯৫%
২০০৯
২৫
২৫
১৫
৬০%
২০০৮
২৩
২৩
১৮
৭৫%
২০০৭
২৪
২৪
১৪
৬০%
মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, প্রধান শিÿক, কাইরচক রেজি. প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।, মোবাইল-০১৭১৮৫৩৮৭৭৫।
বিদ্যালয়টি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা ২নং ভূকশিমইল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ভূকশিমইল গ্রামের উত্তর-পূর্বাংশ ‘‘কাইরচক নামক’’ পাড়ায় বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির দÿÿণ তীর ঘেষে অবস্থিত। এটি একটি আধাপাকা প্রায় জরাজীর্ণ ভবন । এতে মোট ৩টি শ্রেণিকÿ ও একটি অফিস কÿ আছে।বর্তমানে(২০১২খ্রি.)এই বিদ্যালয়ে ১৬৯ জন শিÿাথী ও ৪ জন শিÿক কর্মরত আছেন। কখনও কখনও বন্যায় বিদ্যালয়টির মেঝেতে পানি ঢুকে যায় তখন পাঠদানে মারাত্নক বিঘ্ন ঘটে।প্রায় প্রতিবছর বন্যায় দেয়াল,মেঝে,গ্রীল ও প্রবেশপথের অনেক ÿতি করে থাকে। উপজেলা সদর হতে বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার।